ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার অধিদপ্তরের, দ্রুত ফল প্রকাশের আশ্বাস

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠলেও এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। একই সঙ্গে পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশের প্রস্তুতিও চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান জানান, ফল প্রকাশের বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও গুজব বলে তিনি দাবি করেন। অধিদপ্তর দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৩ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সাত দিনের বিলম্ব হয়েছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন— যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান আরও বলেন, সম্প্রতি তার নাম ও স্বাক্ষর নকল করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তার নাম ভুলভাবে লেখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত কেউ প্রশ্নফাঁসের কোনো সুনির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেই মনে করছে অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কারণে গত ২ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে তা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর থেকেই প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।

শেয়ার করুন

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার অধিদপ্তরের, দ্রুত ফল প্রকাশের আশ্বাস

আপডেট : ০৫:২২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠলেও এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। একই সঙ্গে পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশের প্রস্তুতিও চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান জানান, ফল প্রকাশের বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও গুজব বলে তিনি দাবি করেন। অধিদপ্তর দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৩ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সাত দিনের বিলম্ব হয়েছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন— যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান আরও বলেন, সম্প্রতি তার নাম ও স্বাক্ষর নকল করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তার নাম ভুলভাবে লেখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত কেউ প্রশ্নফাঁসের কোনো সুনির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেই মনে করছে অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কারণে গত ২ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে তা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর থেকেই প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।

শেয়ার করুন